সারাবিশ্বের আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের এখন একটি মাত্র কাজ হয়ে দাড়িয়েছে তাহলো নভেল করোনায় ভাইরাসের উল্লেখযোগ্য ভ্যাকসিন বা প্রতিষেধক আবিষ্কার করা। তবে এরই মধ্যে সবাইকে চমকে দিয়ে নাকি মরনঘতী এ ভাইরাসের ঔষধ আবিষ্কার করে ফেলেছে ভারত। জানা গেছে, আজ মঙ্গলবার (২৩ জুন) রামদেবের পতঞ্জলি সংস্থা দাবি করে বসেছে, তারা এমনই আয়ুর্বেদিক ঔষধ বাজারে এনেছেন, যা সাত দিনের মধ্যেই করোনাভাইরাসকে কুপোকাত করে ফেলবে রামদেবের এই ঔষধ!

’রোগীদের উপর ক্লিনিকাল ট্রায়াল চলাকালীন ১০০ শতাংশ সাফল্য’ মিলেছে বলেই দাবি করেছে পতঞ্জলি সংস্থা। যদিও বিশ্বজুড়ে বিজ্ঞানীরা ভাইরাস নিরাময়ের জন্য দিনরাত কাজ করে চলেছেন।

পতঞ্জলির প্রতিষ্ঠাতা ও যোগ শিক্ষক রামদেব বলেছেন, ’করোনিল ও স্বসারি’ নামের ওষুধগুলো সারা দেশে ২৮০ জন রোগীর উপর গবেষণা ও পরীক্ষার ভিত্তিতে তৈরি করা হয়েছে। অনেক দেশই ভ্যাকসিন তৈরির চেষ্টা করছে, তবে এখনো কেউই কোভিড-১৯-এর বিকল্প নিরাময়ের কোনো বৈজ্ঞানিক প্রমাণ দিতে পারেননি।

’পুরো দেশ ও বিশ্ব করোনার ভ্যাকসিনের জন্য অপেক্ষা করছিল। আমরা গর্বিত হয়ে ঘোষণা করছি যে, প্রথম আয়ুর্বেদিক, ক্লিনিক্যাল-নিয়ন্ত্রিত পরীক্ষামূলক এবং গবেষণা-ভিত্তিক ঔষধটি পতঞ্জলি গবেষণা কেন্দ্র ও এনআইএমএসের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় প্রস্তুত করা হয়েছে,’ সংবাদ সংস্থা এএনআইকে বলেন রামদেব।

’আমরা আজ কোভিড ঔষধ চালু করছি, করোনিল এবং স্বসারি। আমরা এর দুটি পরীক্ষা চালিয়েছি। প্রথম ক্লিনিকাল নিয়ন্ত্রিত গবেষণা যা দিল্লি ও আহমেদাবাদসহ অন্যান্য অনেক শহরেই হয়েছিল। এই পরীক্ষার অধীনে ২৮০ জন রোগী অন্তর্ভুক্ত ছিলেন এবং তাদের ১০০ শতাংশই সেরে গিয়েছেন। আমরা এতে করোনাকে এবং এর জটিলতাগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হয়েছি। এরপর সর্বাত্মক ক্লিনিকাল নিয়ন্ত্রণের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিল,’ দাবি রামদেবের।

এই প্রকল্পে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সেস বা জয়পুরের এনআইএমএস বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতায় কাজ করেছে পতঞ্জলি।



তবে এখন পর্যন্ত মহামারী এ ভাইরাসের উল্লেখযোগ্য প্রতিষেধক আবিষ্কার না হলেও রামদেব তার আয়ুর্বেদিক ঔষধের উপর অনেক আশাবাদী। বিশেষ করে পতঞ্জলি সংস্থার দাবি, তাদের এ ওষুধে মাত্র ৭ দিনে করোনাু আক্রান্ত রোগীরা ভালো হয়ে উঠবেন। এবং এর উপর তারা পরীক্ষা চালিয়ে ১০০ ভাগ সাফল্যেও পেয়েছে।