মহামারী করোনাভাইরাসের মরন থাবায় দেশে গত ২৪ ঘন্টায় আরও প্রাণ হারিয়েছেন ১৮ জন। যা গত ১ মাসের মধ্যে দেশে এটাই ছিল সর্বোচ্চ প্রাণহানির রেকর্ড। তবে এ নিয়ে দেশে এখন পর্যন্ত মৃ//ত্যুর সংখ্যা দাড়িয়েছে ৮ হাজার ৩৭৪ জন। আজ মঙ্গলবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) স্বাস্থ‌্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এমনটাই জানানো হয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় ২১৪টি ল্যাবরেটরিতে ১২ হাজার ৬৯৮টি নমুনা সংগ্রহ ও ১২ হাজার ৭৪৮টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এ নিয়ে মোট নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা দাঁড়াল ৩৯ লাখ ৭১ হাজার ৫২৪টি। এই সময়ে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন আরো ৩৯৯ জন। দেশে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা পাঁচ লাখ ৪৪ হাজার ১১৬ জন।


আরো ৮২৮ জন বাংলাদেশি করোনামুক্ত হয়েছেন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন মোট ৪ লাখ ৯২ হাজার ৮৮৭ জন করোনা রোগী। গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে ১৮ জনের মৃত্যু তাদের মধ্যে ১০ জন পুরুষ ও আটজন নারী। ১৮ জনের মধ্যে ১৬ জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ও দুইজন বাসায় মারা যান।

এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষায় শনাক্তের হার তিন দশমিক ১৩ শতাংশ। নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৭০ শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯০ দশমিক শূন্য ৫৮ শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৫৪ শতাংশ।

এর আগে, চীনের উহানে ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে করোনা সংক্রমণ ধরা পড়ে। বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল গত ৮ মার্চ; তা সোয়া ৫ লাখ পেরিয়ে যায় গত ১৪ জানুয়ারি। এর মধ্যে গতবছরের ২ জুলাই ৪ হাজার ১৯ জন কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত হয়, যা এক দিনের সর্বোচ্চ শনাক্ত।

প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর গতবছরের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। ২৯ ডিসেম্বর তা সাড়ে সাত হাজার ছাড়িয়ে যায়। এর মধ্যে গত বছরের ৩০ জুন এক দিনেই ৬৪ জনের /মৃ/ত্যু//র খবর জানানো হয়, যা এক দিনের সর্বোচ্চ /মৃ/ত্যু/।



তবে ইতিমধ্যে দেশে টিকাদান কর্মসূচি শুরু হওয়ায় আক্রান্ত এবং প্রাণহানির সংখ্যা অনেকাংশে কমে আসায় ধারণা করা হচ্ছে, খুব শীঘ্রই এ ভাইরাস থেকে মুক্তি পাবে সারাদেশে। তবে হাল ছেড়ে দিলে চলবে না। সতর্কতামূলক নির্দেশনা মেনে চলার পাশাপাশি সবাইকে মাস্ক ব্যবহার করে যেতে হবে।