সম্প্রতি ঢাকা রাজধাণীতে নৌবাহিনীর এক কর্মকর্তাকে /মা/র/ধ/র/এবং অক/থ্য ভা/ষায় গা/লি/সহ তুলে নেয়ার অভিযোগে দায়ের হওয়া মা/ম/লার আলোকে নিজ বাসার ৪র্থ তলা থেকে আটক করা হয় ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হাজী মোহাম্মদ সেলিমের পুত্র ইরফান সেলিমকে। আর এরপর পরই নতুন করে সমালোচনায় জড়িয়ে পড়েন হাজী সেলিম। একে একে বেরিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য।
তবে এবার হাজী সেলিমের অগ্রণী ব্যাংকের জমি দখল নিয়ে এক পাঠক মন্তব্য করেছেন, "হাজী সেলিমরা আইনের উর্ধ্বে, তাদের কোনো বিচার হবে না।" দেশের আইনের শাসন নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন বেশিরভাগ পাঠক।

"রাজনীতিতে শেষ বলে কিছু নেই, আর আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে ভণ্ডামির শেষ বলে কিছু নেই। গত কয়দিন ধরে সব টিভি চ্যানেলে হাজী সেলিমের নানা অন্যায্য কাজের খবর পেলাম। অথচ হাজী মোহাম্মদ সেলিম ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের কমিটিতে উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য," হাজী মোহাম্মদ সেলিম সম্পর্কে এই মন্তব্য পাঠক ফজল মাহমুদ সজীবের।

পাঠক শিহাব উদ্দিনের ধারণা ক্ষমতা থাকলে বাংলাদেশে সব কিছু করাই সম্ভব, একমত মারুফ হোসেন, মহিন খান, তালুকদার মামুনের মতো অনেকেই।

এদিকে, হাফিজুর রহমান হাফিজুল্লাহ দুঃখ করে লিখেছেন, "ডয়চে ভেলে আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম, আর আপনারাও বলছেন নিরাপত্তার কারণে লুকিয়ে ভিডিও করছেন। হায় আল্লাহ্ একি অবস্থা!" মহিন খান জানিয়েছেন, "সাংবাদিকের অসহায়ত্বের মাঝে লুকিয়ে আছে বাংলাদেশের অসহায়ত্ব। কত ভ/য়/-ভী//তি, শ/ঙ্কা ও আশঙ্কার মাঝে রিপোর্ট করতে হচ্ছে সাংবাদিকের।" পাঠক সাদিক হোসেনও এমনটাই মনে করেন। আর "দেশটা মগের মুল্লুকে পরিণত হয়েছে, মগের মুল্লুকের শাসন চলছে" - এই মন্তব্য পাঠক ইমরান হোসেন মফিজের। আর "হাজী সেলিমরা আইনের উর্ধ্বে, তাদের কোনো বিচার হবে না," একেবারে নিশ্চিত পাঠক মারুফ হোসেন। তবে পাঠক সিদ্দীকুর রহমান মনে করেন, "হাজী সেলিম সরকারের চেয়েও বেশি শক্তিশালী।"

"যেখানে সরকারি জায়গার কোন নিরাপত্তা নাই, সেখানে জনগণের জানমাল কতটুকু নিরাপদ," প্রশ্ন মোস্তাফিজুর রহমান বাবুর। তানভির আহমেদ তুষার বলছেন, জনগণের ভোট চুরি করে সরকার যেভাবে টিকে আছে, ঠিক সেভাবেই হাজী সেলিম অগ্রণী ব্যাংকের জমি দখল করে আছেন।


তবে দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতির আড়ালে দুর্নীতি ,চাঁদাবজি, অন্যের জমি আত্মসাৎ সহ নানা অনৈতিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসার প্রেক্ষিতে পাঠক আহমেদুল কাওসার মনে করেন, হাজী সেলিমের এ সকল দুর্নীতির বিরুদ্ধে খুব শীঘ্রই আওয়ামী লীগ সভাপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখা হাসিনার পদক্ষেপ নেয়া উচিত।