আজ সোমবার (২৯ জুন) সকাল প্রায় ১০ টার দিকে ঢাকা রাজধানীর শ্যামবাজার এলাকা সংলগ্ন বুড়িগঙ্গা নদীতে একটি লঞ্চ ডুবির ঘটনায় অন্তত ৩০ জনের মৃ’ত দে’হ উদ্ধার করেছে প্রশাসন কর্মকর্তা। তবে লঞ্চটিতে অবস্থানরত যাত্রীদের মধ্যে এখনও অনেকেই নিখোঁজ রয়েছেন। তাদেরকে উদ্ধারের সর্বত্র চেষ্টা চালানো হচ্ছে বলেও জানানো হয়েছে। তবেই এই মুহুর্তে বুড়িগঙ্গা নদীর পাড়জুড়ে বইতে শুরুতে করেছে কান্নার রোল। কিছুতেই থামছে না আহাযারী। ঢাকা-চাঁদপুর রুটের ময়ূর-২ লঞ্চের ধাক্কায় যাত্রীবাহী ঢাকা-মুন্সিগঞ্জ রুটের মর্নিং বার্ড লঞ্চটি ডুবে যায়। এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় ৩০ জনের ম’র’দে’হ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে কোস্টগার্ড।

তবে এ দূর্ঘটনার কবল থেকে বেঁচে ফেরা এক যাত্রী বলে উঠেন, ’পাশের লঞ্চটা ধাক্কা দেয়ার সাথে সাথে লঞ্চটা কাইত হয়ে ডুবে গেছে। তলাইয়া যেতে ১০ সেকেন্ডও সময় নেয় নাই। আমি কেবিনে ছিলাম। গ্লাস খুলে আমি বের হইছি। ভেতরে আমার আপন দুই মামা ছিলেন। তারা তো বের হতে পারেন নাই। তাদের খোঁজ করছি।’
ডুবে যাওয়া লঞ্চ থেকে বেঁচে ফেরা মো. মাসুদ এভাবেই লঞ্চডুবি ও নিজের দুই মামা নিখোঁজের বর্ণনা দিচ্ছিলেন। তার নিখোঁজ দুই মামা হলেন- আফজাল শেখ ও বাচ্চু শেখ।

তিনি আরো বলেন, ’ঘাটে ভেড়ার জন্য আমাদের লঞ্চটা সোজা আসছিল। অন্য একটা লঞ্চ আড়াআড়িভাবে (বাঁকা) রওনা দেওয়ায় ওই লঞ্চের ধাক্কা লাগে আমাদের লঞ্চের মাঝে। এর পর পরই লঞ্চটি ডুবে যায় কিছু বুঝে ওঠার আগেই।’


এ সময়ে সদরঘাটের জেটিতে দুই মামার খোঁজ করতে এসে মো. মাসুদ সংবাদ মধ্যমকে আরও জানান, দূর্ভাগ্যবসত এ দূর্ঘটনাটি ঘটার পর পরই তারা প্রায় ৫০ জনের মত লোক সাঁতার কেটে পাড়ে উঠতে পারলেও বাকিরা তলিয়ে যায়। লঞ্চটিতে তারা প্রায় ১৫০ জনের মত ছিলেন। তবে তার দুই মামাকে এখনো খুঁজে পাননি বলে জানান তিনি।

ভিডিওটি দেখতে এই লিংকে সার্চ করুন;

blob:https://www.facebook.com/84433b29-9e57-4d2a-8d0a-33ba5c27e499