গতকাল সোমবার (২৯ জুন) রাজধাণী ঢাকার শ্যামবাজার এলাকা সংলগ্ন বুড়িগঙ্গা নদীতে প্রায় শতাধিক যাত্রী নিয়ে একটি লঞ্চডুবির ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৩৬ জনের মৃ’ত দে’হ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে কোস্টগার্ড। তবে এ দূর্ঘটনায় সব থেকে অবাক করা ঘটনাটি ঘটেছে কাল রাত ১০টার দিকে। জানা যায়, লঞ্চডুবির ১২ ঘণ্টার পর এক ব্যক্তিকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।
গতকাল রাত ১০টার দিকে লঞ্চটি উদ্ধারের সময় এই লোককে ভেসে উঠতে দেখে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল। এরপর দ্রুত তাকে উদ্ধার করে পাশের একটি নৌকায় তোলা হয়। এবং লাইফ জ্যাকেট পরিয়ে তার দেহের তাপমাত্রা স্বাভাবিক করার চেষ্টা করা হয়। তার ঠোঁঠের কোনে হালকা রক্তের আভা দেখা গেছে।

উদ্ধার ব্যক্তিকে অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে নেয়া হচ্ছে। তবে, তাৎক্ষণিকভাবে তার নাম পরিচয় জানা যায়নি।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাত ১০টার দিকে লঞ্চটি উদ্ধারের সময় এই লোককে ভেসে উঠে। লঞ্চের এককোনা ভেসে উঠলেই তিনি সেখান থেকে বেরিয়ে আসেন। কিন্তু লঞ্চের টিউবটি ফেটে যাওয়ায় লঞ্চটি আবার তলিয়ে গেছে।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) চেয়ারম্যান গোলাম সাদেক জানান, ময়ূর–২ নামের একটি লঞ্চ সদরঘাট লালপট্টি থেকে চাঁদপুরের দিকে যাচ্ছিল। ওই লঞ্চটি মর্নিং বার্ডকে ধাক্কা দেয়। এতে মর্নিং বার্ড নামের লঞ্চটি ডুবে যায়।

বিআইডব্লিউটিএর ঢাকা নদীবন্দরের যুগ্ম পরিচালক এ কে এম আরিফউদ্দিন জানান, ধাক্কা দেয়া লঞ্চ ময়ূর–২ জব্দ করা হয়েছে। তবে লঞ্চের চালক পালিয়ে গেছেন।

এদিকে লঞ্চডুবির ঘটনায় নারী-পরুষ এবং শিশু উভয়ের মৃ’ত দে’হ উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে প্রশাসন কর্মকর্তা। তবে এ ঘটনায় জড়িতদের মধ্যে এখনো লঞ্চ চালক কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হননি পুলিশ। তবে তারা আশাবাদী খুব শীঘ্রই তারা এ ঘটনায় জড়িতদের আটক করে আইনের কাঠগড়ায় দাড় করাবেন।