নানা কৌশল অবলম্বন করে প্রতারণার মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী তূর্ণা আহসান বিরুদ্ধে। টাকা হাতিয়ে নেওয়ার মূল মন্ত্র ছিল ফোন কল। সম্প্রতি এ সকল অভিযোগের দায়ে সিআইডির কাছে আটক হয়েছেন তিনি। জানা গেছে, তথ্যবিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা বিভাগের ২০১১-২০১২ সেশনের একজন শিক্ষার্থী ছিলেন তুর্ণা।

রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে সুসম্পর্ক, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সে ছবি দিয়ে পরিচিত মুখ। অথচ আড়ালে ভয়ঙ্কর প্রতারক চক্রের সদস্য। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রী, প্রতারক তুর্ণা আহসান ফাঁদে ফেলতে চেয়েছিলেন নিজ বিশ্ববিদ্যালয়েরই কিছু শিক্ষার্থীকে।

এদিকে, তুর্ণার সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্কের অভিযোগ অস্বীকার করছেন ছাত্রলীগের সাবেক সম্পাদক গোলাম রাব্বানী।


রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে সখ্য ছিলো তুর্ণার। বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে হাস্যজ্জ্বল ছবিও আছে। এগুলোকে ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজের একটা ইমেজ তৈরি করেছিলেন। ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর সঙ্গে তুর্ণার সম্পর্ক ছিল এমন অভিযোগ উঠছে। যদিও অস্বীকার করছেন রাব্বানী।

গোলাম রাব্বানী বলেন, একটা ছবি দিয়ে কখনও সম্পর্ক নির্নয় হতে পারে না। যেহেতু ছাত্রলীগের ট্যাগ আছে, তাই এসব কথা উঠবেই।


তবে এ সময়ে সিআইডি সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, প্রতারক তুর্ণার সাথে যদি কোনো রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গরাও জড়িত থাকে তাহলে তাদেরকেও আইনের কাঠগড়ায় দাড় করানো হবে। কোনো অন্যায় কারীকে ছাড় দেওয়া হবে না।