গতকাল বুধাবার (৭ অক্টোবর) রাতে নরসিংদী সদর হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স তাহমিনা সুলতানা শিমুকে /নি/র্ম/ম/ ভাবে শ্বা/স/রো/ধ/ করে /হ//ত্যা/ করার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামী রুহুল আমিনের বিরুদ্ধে। জানা যায়, বিয়ের পর থেকেই শ্বশুর পরিবারের লোকজন তাহমিনার ওপর নান ভাবে নি/র্যা/ত/ন/ এবং টাকার জন্য চাপ দিতে থাকে। ইতিমধ্যে তার শ্বশুরকে একটি মোটরসাইকেল কিনে দেন এবং শাশুড়িকে চিকিৎসার জন্যও অর্থ দেন তিনি। কিন্তু তার পরও বাঁ/চ/তে/ দিল না তাকে।
এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার সকালে নিহতের বড় ভাই মো. আলাউদ্দিন মিঠু বাদী হয়ে নরসিংদী সদর থানায় একটি /হ//ত্যা/ /মা/ম/লা/ দায়ের করেছেন।

নিহত তাহমিনা বেলাব উপজেলার বাজনাব ইউনিয়নের হাড়িসাংগা গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা মো. সুলতান উদ্দিনের মেয়ে। আর স্বামী রহুল আমিন মুরাদ একই উপজেলার পাটুলী ইউনিয়নের বাবলা গ্রামের সিরাজুল হকের ছেলে। তিনি নারায়ণগঞ্জে জাহাজে কাজ করেন।

নি/হ/তে/র পরি/বারের লোকজন জানান, ২০১৪ সালে তাহমিনার সাথে পার্শ্ববর্তী পাটুলী ইউনিয়নের বাবলা গ্রামের রুহুল আমিনের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই টাকার জন্য শ্বশুর পরিবারের লোকজন তাকে শারীরিক ও মা/ন/সি/ক /নি/র্যা/ত/ন/ করতেন।

এ ঘটনায় একবার স্বামীর স/ঙ্গে/ ঝ/গ/ড়া/ করে এক বছর আলাদা থাকেন তাহমিনা। পরবর্তীতে পরিবারের সদস্যদের সমঝোতায় সংসার শুরু করলেও টাকার জন্য চা/প কমেনি। এরই মধ্যে সম্প্রতি শ্বশুরকে একটি মোটরসাইকেল কিনে দেন, শাশুড়িকে চিকিৎসা করান। তারপরও বুধবার রাতে তাকে /গ/লা/টি/পে/ /মা/রে/ন স্বামী রুহুল আমিন।

এদিকে এ বিষয়ে নরসিংদী সদর মডেল থানার ওসি জানিয়েছেন, মৃত তাহমিনা সুলতানার গ/লা/য় কা/লো দা/গ পাওয়া গেছে। তবে এ বিষয়টি এখনও যেহেতু খোলাসা হয়নি সেহেতু /মৃ/ত/দেহ ম/য়/না/ত/দ/ন্তে/র জন্য পাঠানো হয়েছে। এবং একই সাথে এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্বামীকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। খুব শীঘ্রই এ বিষয়টি পরিষ্কার হবে।