অবিশ্বাস্য হলেও এবার এমনটাই ঘটেছে নড়াইলের লোহাগড়ায়। যেখানে নিজ স্ত্রী’র’ হা’ত থেকে /বাঁ/চ’তে মানববন্ধন করেছেন ভুক্তভোগী স্বামী নিজেই। জানা যায়, মি/থ্যা অভি/যো/গে হ/য়/রা/নি/সহ টাকা-পয়সা আ/ত্ম/সা/ত এবং নি’র্যা’ত’নে’র অভিযোগ এনে গ্রামবাসীদের সাথ নিয়ে মানববন্ধন করতে দেখা ভুক্তভোগী স্বামী আফজাল হোসেনকে। এবং পরবর্তীতে এর প্রতিকার চেয়ে জেলা প্রশাসন বরাবর স্মারকলিপি দেন ভুক্তভোগী স্বামী। তার স্ত্রীর নাম মিনা বেগম।
মানববন্ধনে আফজাল হোসেন বলেন, ’আমার স্ত্রী মিনা বেগম বেশ কিছুদিন আগে আমার বাড়ি থেকে নগ/দ টাকা, স্ব/র্ণা/লংকার ও মূল্যবান আসবাবপত্র নিয়ে পালিয়ে যান। এরপর ভু’য়া/ তালাকনামা পাঠিয়ে আমার নামে প্র/শাসনে/র কাছে বিভিন্ন মি’থ্যা তথ্য-স’ম্বলি’ত অভিযোগ দা’য়ে’র/’সহ মা/ম/লা করে’ ’হ/য়/রা’নি’ করছেন।’

লোহাগড়া পৌরসভার জয়পুর গ্রামের আবদুর রশিদের ছেলে আফজাল হোসেন আরও জানান, ২০০৮ সালে নড়াইল সদর উপজেলার চিলগাছা রঘুনাথপুর গ্রামের আয়ুব মোল্যার মেয়ে মিনার সঙ্গে আমার বিয়ে হয়। এর আগেও মিনার দুটি বিয়ে হয়েছিল। ব্যবসার কাজে বাইরে গত ১ জুন তিনি /স//স্ত্রা//সী /বা/হি/নী নি/য়ে আমার /বাড়ি/তে প্রবেশ করেন এবং ন/গ/দ /টাকা, স্ব/র্ণা/লংকার, ফ্রি/জ/সহ দা/মি আ/স/বা/বপত্র নিয়ে যান।

’আমি এ ঘটনায় লোহাগড়া থানায় গত ২৬ জুন /মা/মলা দায়ের করি। মামলা নম্বর-২১। মামলাটি আদালতে বিচারাধীন। মিনা বেগম ও তার সমর্থিত সন্ত্রাসী বাহিনী বিভিন্নভাবে আমাকে ও আমার মেয়েকে হুমকি-ধামকি দিচ্ছে। আমি ওই না/রী/র হাত থেকে রক্ষা পেতে প্রশাসনসহ স/বা/র সহযোগিতা চাই।’

মানববন্ধনে আফজালের তৃ/তী/য় শ্রেণিতে পড়ুয়া মেয়ে বলে, ’আমার মা /মি/থ্যা/ কথা বলে সো/না/দানা/, টাকা নিয়ে চলে গেছে। আব্বা/র নামে /মি/থ্যা/ অ/ভি/যোগ করেছে।’

জয়পুর গ্রামের লাকী বেগম বলেন, ’মিনা মি//থ্যা অভিযোগ দিয়ে আফজাল হোসেনকে /হ/য়/রা/নি/ করছেন।’

মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন পৌর কাউন্সিলর বিশ্বনাথ দাস ভুন্ডুল, প্রভাষ মো. তজিবর রহমান, শাহরিয়ার মারুফ, আলী সিকদার, সাবেক ইউপি সদস্য মো. টুকু সিকদার প্রমুখ।

এদিক এ সকল অভিযোগে আলোকে আফজাল হোসেনের স্ত্রী মিনা বেগমের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তার কাছ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে জানা গেছে, ইতিমধ্যে এ বিষয়টি নজরে নিয়েছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।