আলোচিত সেই হকার ইস্যুতে সং/ঘ/র্ষে/র ঘটনার ৩ বছর পর অবশেষে মামলা দায়ের করেছেন /সং/ঘ//র্ষে আ/হ/ত সেই যুবলীগ নেতা নিয়াজুল ইসলাম খান। জানা গেছে, গত রবিবার (২০ ডিসেম্বর) অভিযোগটি জমা দিয়ে নারায়ণগঞ্জের জেলা আদালতে এ মামলাটি দায়ের করেন তিনি। তবে এ ঘটনার তিন বছর পর আদালতের দ্বারস্ত হওয়ায় নিয়াজুল ইসলামকে নিয়ে অনেকের মঝে নানা কৌতুহলের জন্ম নিয়েছে।

মামলায় আসামি করা হয়েছে সিটি করপোরেশন মেয়র আইভী রহমানের ছোট ভাই মহানগর যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক আহাম্মদ আলী রেজা উজ্জল, ভাগিনা মিনাজুল কাদির মিমন, কয়েকজন কাউন্সিলর ও ঠিকাদারসহ ১৭ জনকে।

সোমবার বিকেলে নারায়ণগঞ্জের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ফাহমিদা খাতুনের আদালত নিয়াজুলের অভিযোগটি আমলে নিয়ে সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জকে তদন্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন। এছাড়াও আদালত একই সঙ্গে আগামী ২০২১ সালের ২২ মার্চ মামলাটির পরবর্তী তারিখ ধার্য করেছেন।

এ বিষয়টি নিশ্চিত করে আদালত পুলিশের পরিদর্শক (কোর্ট ইন্সপেক্টর) মো. আসাদুজ্জামান বলেন, আদালত মামলার আবেদনের বিষয়টি সদর থানার ওসিকে তদন্ত করতে নির্দেশ দিয়েছেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত ব্যক্তিরা হলেন মেয়র আইভীর ছোট ভাই মহানগর যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক আহাম্মদ আলী রেজা উজ্জ্বল, জেলা আওয়ামী লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক ঠিকাদার আবু সুফিয়ান, ১৩ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও যুবদল নেতা মাকসুদুল আলম খোরশেদ, ১৫ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর অসিত বরণ বিশ্বাস, ২১ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর হান্নান সরকার, ১৮ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর কবির হোসেন, ভাগিনা মিনাজুল কাদির মিমন, মহানগর যুবলীগের সহ-সভাপতি ও ঠিকাদার কামরুল হুদা বাবু, হাজী নেওয়াজ, যুবদল নেতা সরকার আলম, মাহাবুবুর রহমান মাসুম ও অপু সৈকত মেম্বার, মোতালেব, ফারুক ও লিপু।


উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের ১৬ জানুয়ারি শহরের ফুটপাত ইস্যুতে হকারদের সঙ্গে সিটি মেয়র আইভী স/ম/র্থ/ক/দের মধ্যে /সং/ঘ/র্ষে/র/ ঘটনা ঘটে। সেদিন নারায়ণগঞ্জ ক্লাবে যাওয়ার পথে শহরের ব/ঙ্গবন্ধু স/ড়/কে/র পূ/র্ব/পাশে অভিজাত শপিং মল সায়াম প্লাজা মার্কেটের সামনে ব্যবসায়ী নিয়াজুল ইসলামের ওপর /হা/ম//লা/ করে অভিযুক্ত আসামিরা। এ সময় /আ/ত্ম/র/ক্ষার্থে নিয়াজুল তার সঙ্গে থাকা /লা/ই/সে/ন্স করা অস্ত্র প্রদর্শন করলে/মা/র/ধ/র/ করে
/আ/হ/ত/ করা হয় তাকে। এ ঘটনায় খোয়া যায় নিয়াজুলের লাই/সে/ন্স// করা /অ/স্ত্র//টি। সে স/ম/য় তিনিও দাবি করেন, /মা/র/ধ/র/ করার সম/য় তার অ//স্ত্র/টি/ /ছি/নি/য়ে /নেয়া হ/য়ে/ছিল। তবে এর বেশ //কিছু/দিন পরে নিয়াজুলের খোয়া যাওয়া সেই/ অ/স্ত্র//টি বঙ্গবন্ধু সড়কের পূ/র্বপা/শে গী//র্জার সামনে ফু/লে/র ট/বের/ ওপর থেকে প/রি/ত্য/ক্ত অ/ব/স্থায় /উ/দ্ধা/র করে স/দর মডেল থানা পুলিশ।

এছাড়া /সং/ঘ/র্ষ/ ও /হা/ম/লা/র ওই ঘটনার পরদিন ১৭ জানুয়ারি মেয়র আইভীর ছোট ভাই, সিটি করপোরেশনের কয়েকজন কাউন্সিলর, ঠিকাদার ও সমর্থকসহ ১৭ জনের নাম উল্লেখ করে /অ/স্ত্র ছি/ন/তা/ই ও /হ///ত্যা/ চেষ্টার অভিযোগ/ তুলে সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছিলেন নিয়াজুল ইসলাম। তবে পুলিশ সে সময় সেটি অভিযোগ হিসেবে গ্রহণ না করে জিডি হিসেবে লিপিবদ্ধ করেছিলো।
ঘটনার প্রায় তিন বছর পর গত রোববার নারায়ণগঞ্জের সিনিয়র জুডিসিয়াল /ম্যাজিস্ট্রেট ফাহমিদা খাতুনের আদালতে জমা দেয়া আর্জিতে উল্লেখ করা হয়, /মা//রা/ত্ম/ক/ /অ/স্ত্র/শস্ত্রে /স/জ্জি/ত হয়ে বেআইনি সমাবেশের স/দস্যরা ব্যবসায়ী নিয়াজুল ইসলাম খানকে ই/চ্ছাকৃ/ত ভাবে /মা/র/ধ/র/ করে দুই লাখ টাকা ও এক ভরি স্ব/র্ণ লু/ট করে। এ ঘটনায় আদালতে ১৪৩, ১৪৪, ১৪৯, ৩২৩, ৩২৬, ০০৭ ও ৪৩ ধারায় অভিযোগ করা হয়েছে।


তবে এ ব্যাপারে গতকাল সোমবার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহ জামানের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে আদালত থেকে এখনও কোনো নির্দেশনা পাননি তিনি। তবে আশ্বাস দিয়েছেন, এ বিষয়ে আদেশ পাওয়া মাত্রই প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করবেন।