বর্তমান ক্ষমতাসীন এ সরকারের আমলে পুলিশকে জনগণের বন্ধু বলে দাবি করে এলেও বাস্তবে এর উল্টো-টাই দেখছে এ দেশের মানুষ। যেকানে আজ সাধারন মানুষ পুলিশের সাথে কথা পর্যন্ত বলতে ভয় পায়, তাহলে কিভাবে তাদের কাছ থেকে ন্যায় বিচার পাবে? কিন্তু ভেবে দেখেছেন কেন? সম্প্রতি এবার জানা গেছে, এক ব্যবসায়ীকে ই/য়া//বা/ দি/য়ে ফাঁ/সা/তে গিয়ে ফেঁসে গেলেন ঢাকার কোতোয়ালি থানার ওসি মিজানুর রহমানসহ পাঁচজন। ইতিমধ্যে তাদের বিরুদ্ধে ঐ ব্যবসায়ী চাঁদাবাজির অভিযোগ এনে মামলাও করেছেন।
মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর হাকিম আবু সুফিয়ান মো. নোমান মামলা তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

ওসির সঙ্গে কোতোয়ালি থানার এসআই আনিসুল ইসলাম, এএসআই খায়রুল ইসলাম, শহিদুল ইসলাম ও সোর্স দেলোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে গত ১৭ নভেম্বরে আদালতে আবেদন করেছিলেন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মো. রহিম।

তার অভিযোগে বলা হয়, ১২ অক্টোবর সন্ধ্যায় কাজ শেষে চরকালীগঞ্জ জেলা পরিষদ মার্কেট থেকে বাসায় ফিরছিলেন। রাত ৮টার দিকে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার চুনকুটিয়া ব্রিজের উপর পৌঁছালে অজ্ঞাতনামা তিনজন তার গতিরোধ করেন। তারা নিজেদের ঢাকা জেলার ডিবি পুলিশ পরিচয় দেন। তারা রহিমকে একটি দোকানে নিয়ে তল্লাশি করেন। তবে তার কাছ থেকে কিছু উদ্ধার করতে পারেননি।

এরপর এসআই আনিসুল ইসলাম, এএসআই খায়রুল ইসলাম ও সোর্স দেলোয়ার নিজেদের কাছ থেকে ৬৫০ পিস /ই/য়া/বা/ বের করে বলেন, এগুলো রহিমের কাছ থেকে পাওয়া গেছে। এই সময় রহিমকে আনিসুল ইসলাম বলেন, ’যদি ফাঁসতে না চাস তাহলে দুই লাখ টাকা জোগাড় কর। না হলে /মা/দ/ক ব্যবসায়ী সাজিয়ে মামলায় ফাঁসিয়ে দেব।’


কিন্তু কি আর করার মামলা থেকে বাঁচার জন্য নিজের কাছে থাকা
এক ভরি স্বর্ণের চেইন, নগদ ১৩ হাজার টাকা তুলে দেন তার হাতে। এছাড়া পরবর্তীতে মোবাইলে কল করে নান হুমকি-ধমকি দিয়ে তার কাছ থেকে আরও ৫০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেন আনিসুল ইসলাম। কিন্তু এরপরও তাকে ই/য়া/বা/ দিয়ে ফাঁসানোর কথা বলেছেন তিনি।