সম্প্রতি ঢাকা রাজধানীর কলাবাগানে আনুশকা নামের এক ১৭ বছর বয়সী স্কুল শিক্ষার্থীকে /ধ///র্ষ/ণ/ করে /হ///ত্যা//র /দা/য়ে/ অভিযুক্ত ইফতেখার ফারদিন দিহানকে ইতিমধ্যে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা শুরু করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। জানা গেছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এ ঘটনার দায় স্বীকার করে নিয়েছেন দিহান।

এর আগে, দিহানের পরিবার ও তার বড় ভাই সু/প্ত সরকারের বি/রু/দ্ধেও স্ত্রীকে দুনি/য়া থেকে স/ড়িয়ে দেয়ার অ/ভি/যোগ উঠেছিল। পারিবারিক ক/ল/হের/ জে//রে সু/প্ত/র/ /স্ত্রী//কে /দু/নি//য়া থে/কে স/ড়ি/য়ে দেয়ার অ/ভি/যো/গে// /মা/ম/লা/ /দা/য়ে/র/ করা হয়ে/ছি/ল/ দি/হা/নের বড় ভাই/য়ের বি/রু/দ্ধে। /মা/ম/লা/র সা//ক্ষী/দে/র অ/ভি/যোগ, টাকার বিনিময়ে /মা//ম/লা/টি /আ/প/স করেছেন সুপ্তর বাবা।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দিহানেরা তিন ভাই। তাদের বাবার নাম আবদুর রউফ সরকার। তিনি রাজশাহী জেলার অবসরপ্রাপ্ত সাব-রেজিস্ট্রার। রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার রাতুগ্রাম গ্রামে তার বাড়ি। তিনি একজন ধর্নাঢ্য ব্যক্তি। এ বাড়ি ছাড়াও জেলার বাগমারা উপজেলার তাহেরপুরে তাদের আরও একটি বাড়ি আছে। রাজশাহী শহরেও আ/ছে দু’টি বাড়ি। এর একটি সাগরপাড়া এলাকায়। আরেকটি বাড়ি মহানগরীর পদ্মা আবাসিক এলাকায়। ঢাকায়ও রয়েছে ফ্ল্যাট।

স্থানীয়রা জানান, বড় ছেলে সু/প্ত/কে নিয়ে আবদুর রউফ সরকার গ্রামে থাকেন। আর মা সা/নজিদা সরকার/ শি/ল্পী/র /স/ঙ্গে দিহান ও তার মেজ ভাই নিলয় ঢাকায় থা/কেন। নিল/য় এক/টি ব্যাংকে চাকরি করেন। ছোটবেলা থেকেই দিহান রাজধানী ঢাকায় থাকেন। তাই তার স/ম্পর্কে গ্রামের মানুষের ধারণা কম। তবে তার বড় ভাই সুপ্তর ব্যাপারে ছিল তাদের ধারণা নেতিবাচক।

এর আগে, ২০০৯ সালে সুপ্তর স্ত্রী রুনা খানকে /মা//রা/র/ অভিযোগ উঠেছিল সুপ্ত ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে।

দিহানের স্বজন ও মা/মলা/র সাক্ষীরা জানান, রুনা খানের বাবার বাড়ি কিশোরগঞ্জ। আর নানির বাড়ি রাজশাহী মহানগরীর হোসনীগঞ্জ মহল্লায়। সুপ্তর সঙ্গে বিয়ের কিছুদিন পরই রুনাকে /মে//রে// ফে/লা/ হয়/। সুপ্ত ও তা/র পরিবারের সদস্য/দের বি/রু/দ্ধে/ অভি/যো/গ ওঠে, রুনার /মু/খে/ বি/ষ দিয়ে /মা/রা/ হয়েছে।

এ নিয়ে রুনার মা /নিজে বাদী হয়ে থানায় মা/ম/লা/ করেছিলেন। আর ওই/ সময় আসামি/দের/ শা/স্তি/র দাবিতে রুনার /ম/র/দে/হ/ নিয়ে রাজশা/হী /শহরে/ মি/ছি/লও/ হয়েছিল।


মামলায় বলা হয়েছে, ন্যাক্কারজনক ঘটনার পর /র//ক্ত//ক্ষ//র//ণ হ/লে আনুশ/কাকে রাজধা/নীর আ/নোয়ার খান মর্ডান/ হা/স/পা/তালে নিয়ে যান অভিযুক্ত নিজেই। এদিকে হাসপাতালের চিকিৎসকরা /মে/য়ে/টি/র/ অ/ব/স্থা বে/গ/তি/ক দেখে কৌশলে /থানা/য় /খব/র দে/ন। পরে পু/লি/শ /হা/সপা/তা/লে গিয়ে দি/হা/নকে আটক করে।


গতকাল শুক্রবার (৮ জানুয়ারি) প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে দিহানকে আদালতে হাজির কর হয়। এ সম্যে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি তার বিরুদ্ধে আসা অভিযোগ স্বীকার করে নেনে দিহান। তার দেয়া জবানবন্দিতে স্পষ্ট হয়, এই ঘটনা পূর্ব পরিকল্পিত।