সম্প্রতি গত বৃহস্পতিবার (০৭ জানুয়ারি) আনুশকা নূর আমিন ওরফে শাহনূরী নামের এক স্কুল শিক্ষার্থীকে /ধ///র্ষ//ণ/ ও /হ//ত্যা// /মা/ম/লা/র অন্যতম প্রধান আসামি দিহানের বিরুদ্ধে এবার আরেক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। আজ শনিবার কলাবাগানে দিহানের বাসার কেয়ারটেকার মোতালেব সংবাদ মাধ্যমকে জানান, এর আগেও বিভিন্ন মেয়েদের সঙ্গে অ/নৈ/তি/ক ক/র্ম/কা/ণ্ডে/ জড়িত থাকার অভিযোগ পাওয়া গেছে। মাঝে মাঝে দিহান বন্ধু বান্ধবীদের নিয়ে বাসায় আসতেন।

এ সময়ে তিনি আরও বলেন, বাসা ফাঁকা থাকলে মাঝে মাঝে দিহান বন্ধু-বান্ধবীদের নিয়ে বাসায় আসলেও এমন ঘটনা ঘটতে পারে তা তিনি ধারণাও করতে পারেননি।

তিনি দাবি করেন ঘটনার দিন বৃহস্পতিবার (৭ জানুয়ারি) তিনি দায়িত্বে ছিলেন না। সেদিন দায়িত্বপালন করছিলেন কেয়ারটেকার দুলাল। সেদিনের এই ঘটনার পর দুলাল পলাতক আছেন বলেও জানান মোতালেব।

এসব বিষয়ে জানতে দিহানের তিনতলার বাসায় নক করা হলে দিহানের মা কথা বলতে রাজি হননি। দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকার পর দরজার ওপার থেকে তিনি জানান ’বাসায় কেউ নেই, সবাই রাজশাহী গেছেন’।

ওই বাড়ির ফ্ল্যাট মালিক সমিতির সভাপতির কাছে দিহানের মায়ের ফোন নম্বর নিয়ে দিহানের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, তার ছেলে এমন কাজ করতে পারে তিনি তা তিনি কল্পনাও করতে পারেন না। এ সময় তাকে দিহানের বড় ভাই সুপ্তর বিরুদ্ধে স্ত্রীর সাথে ঘটে যাওয়া ঘটনার অভিযোগের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি এই উত্তর এড়িয়ে গিয়ে বলেন, এখন অনেকেই অনেক কথা বলছেন কিন্তু আপনারা জেনে তারপর নিউজ করবেন। কয়েক বছর আগে দিহানের বড় ভাইয়ের /বিরু/দ্ধে মা/মলাও হয় রাজশাহীতে।

এলাকাবাসী কেউই দিহানের বিষয়ে মুখ খুলতে রাজি হননি। বিপুল অর্থসম্পদ ও ঢাকা রাজশাহীতে একাধিক বাড়ি ও ফ্ল্যাটের মালিক দিহানের বাবা অবসরপ্রাপ্ত সাব রেজিস্ট্রার আবদুর রউফ সরকার। তিনি তার বড় ছেলে সুপ্তসহ রাজশাহীতে থাকেন। মেঝ ভাই ও ছোটভাই দিহানসহ তাদের মা থাকেন কলাবাগানের বাসায়।


এদিকে এ বিষয়ে ঢাকা মেডিকেলের ফেরনসিক বিভাগের প্রধান ডা. সোহেল মাহমুদ গণমাধ্যমকর্মীদের জানান, এ ঘটনায় ইতিমধ্যে ডিএনএর একাধিক নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। ডিএনএ পরীক্ষার পর৫ এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানা যাবে বলে জানান তিনি।