ইতিমধ্যে মাস্টারমাইন্ড স্কুলের ছাত্রী আনুশকার সাথে ন্যা//ক্কা/র/জ/ন/ক কাজের প/র// /হ///ত্যা//র/ //ঘট/নায় দা/য়ের হওয়া মা/ম/লা/য় অন্যতম প্রধান আসামি দিহানের বাসার দারোয়ান দুলাল হোসেন আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। এ জবানবন্দিতে তিনি আদালতে জানান, ঘটনার দিন মেয়েটিকে একাই বাসার ভেতরে যেতে দেখেন তিনি। এ সময়ে দিহানকেও মেয়েটির সাথে একাই দেখতে পান তিনি। আর এর কিছুক্ষণ পর অ/চে/ত/ন হয়ে পড়া মেয়েটিকে দিহা/ন কো/লে/ করে বাসা থেকে নিচে না//মিয়ে গাড়িতে তুলে হা/সপা/তালে নিয়ে গেছেন। তা/রা বা/সায় এক থেকে দেড় ঘ/ণ্টা ছি/লেন। এ সময় বাসার /ভে/তরে /বা দিহা/নে/র/ স/ঙ্গে অন্য কেউ ছিল না।
ঘটনার দিন দুপুর থেকে পলাত/ক এই গার্ড (দারোয়ান) চারদিন পর এসে এই সাক্ষ্য দেওয়ায় প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন ভিকটিম কিশোরীর মা।

তিনি বলেন, আমরা মা/ম/লা/র প্রতি কোনও আস্থা রাখতে পারছি না। তাদের সবই কেনা হয়ে গেছে। সবই কিনে ফেলেছে আসামি/প/ক্ষ। তাদের কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা আছে। সাক্ষ্য, প্র/তিবেদন যা দেখ/ছেন তা সাজানো নাটক। সা/জিয়ে-গু/ছিয়ে উপস্থাপন করা হচ্ছে।

এ সময়ে তিনি অভিযোগ করেন, টাকা দিয়েই সব কেনা যায়। সবখানে সবকিছু এভাবেই চলে। বিচার কখনও হয়নি, হবেও না। এটাই আমাদের মেনে নিতে হবে। মেনে নেওয়া শুরু করছি।


তবে এ ঘটনায় যথাসম্ভব খতিয়ে দেখছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তদন্তে করে তারা ইতিমধ্যে দিহানের বিরুদ্ধে বেশকিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য তথ্য পেয়েছেন। তাই এবার আদালতের কাছে আবেদন করেছেন, যেন দিহানের ডোপ চেষ্ট করে দেখতে পারেন যে সে মা/দ/কা//স/ক্ত কি না।