সম্প্রতি ঢাকা রাজধাণীর কলাবাগান থানা এলাকায় ইংরেজি মাধ্যমের এ লেভেলের ছাত্রী আনুশকা নুর আমিনকে গ্রুপ স্ট্যাডির কথা বলে ফাকা বাসায় নিয়ে /’ধ/’র্ষ//’ণে/’র পর ’/হ/’’ত্যা’/র ঘট/নায় তীব্র নিন্দা প্রকাশের পাশাপাশি এ ঘটনার সুষ্টু ও নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি জানিয়েছে এদেশের হাজারও সচেতন নাগরীক। তবে ইতিমধ্যে প্রশাসন সেই পথেই হাটতে শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন অনেকেই। আইনশৃঙ্খকা বাহিনীও বিষয়টিকে গভির ভাবে খুতিয়ে দেখতে শুরু করেছে।

এদিকে ইফতেখার ফারদিন দিহানের বাসার দারোয়ান দুলাল আদালতে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছে। মঙ্গলবার (১২ জানুয়ারি) তাকে আদালতে নেয়া হয়। কলাবাগান থানার পরি/দর্শক (অপারেশন) ঠাকুর দাস বলেন, দুলাল এই /মা/ম//লা/র আসামি নন। তাকে গতকাল সোমবার পুলিশ হেফাজতে নিয়ে প্রথমে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তিনি যতটুকু জানেন, আমরা ততটুকু জানার চেষ্টা করেছি। সকালে তাকে আদালতে নেয়া হয়েছে। ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে লিখিত জবানবন্দি দেয়ার পর তাকে ছেড়ে দেয়া হবে।

এদিকে মা/ম/লা/র তদন্ত সংশ্লিষ্ট ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) রমনা বিভাগের একজন ঊর্ধ্ব/তন কর্মকর্তা দুলালের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে গণমাধ্যমকে বলেন, দুলাল আমাদের বলেন, দিহান ওই ছাত্রীকে বাসায় নিয়ে গেলে দারোয়ান তাকে কিছু বলেননি। এর এক ঘণ্টা পর দিহান ইন্টারকমে তাকে ফোন কেরে উপরে উঠতে বলেন। উপরে গিয়ে দারোয়ান দেখেন, মে/য়ে/টি/কে /সো/ফা/য় শু/ইয়ে রা//খা হয়েছে। ওই সময় /সো/ফা/য়/ /র//ক্ত/ লে/গে ছিল। পরে হাসপাতালে নে/য়ার জন্য তাদের গাড়িতে/ তুলে/ দেন দুলাল। এরপর প্রায় এক ঘণ্টা পর তিনি বাসা থেকে পালিয়ে যান।
/
এদিকে মা/ম/লা/র এ/জাহা/রেও এখন প/র্যন্ত/ মা/ম/লা/র তদন্তে এ ঘটনায় শুধু দিহান জড়িত থাকার বিষ/য়টি উল্লেখ থাকলেও আনুশকার বাবা দাবি করছেন ঘটনা একা ঘ/টায়/নি দিহান। /আনুশ/কাকে যেভাবে /নি//র্যা//ত/ন ক/রা হয়েছে এতে আরও কে/উ জড়িত/ রয়েছে বলেও অভিযোগ তার।

এদিকে এ মা/ম//লার প্রধান অভিযুক্ত দিহানের বাবা সংবাদ মাধ্যমকে জানান, যদি ছেলের অপরাধ প্রমানিত হয় তাহলে দেশের আইন অনুযায়ী তার শাস্তি হোক এটা তিনিও চান। তবে অন্যদিকে দিহানের ও আনুশাকার সম্পর্ককে কোনো খারাপ কিছু দেখছেন না দিহানের মা। তিনি জানান, তারা দুজনেই নিজ ইচ্ছায় শা/রী/রি/ক /সম্প/র্কে/ জড়িয়েছে।