ঘটনাটি ঘটেছে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে। জানা যায়, ১৩ বছর বয়সী এক অষ্টম শ্রেণিতে শিক্ষার্থীকে জোর পূর্বক /ধ///র্ষ/ণে/র অভিযোগে একই গ্রামে বসবাসরত আলাউদ্দিন নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে থানায় মামলা হওয়ার পর পরই তাকে তাক করে পুলিশ। আলাউদ্দিনের বিরুদ্ধে থানায় এ মামলাটি করেছিল ভুক্তভোগীর বাবা।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, গেলো বছরের ১৮ জুলাই ১১টার দিকে জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার বাতিসা ইউনিয়নের আটগ্রামে আলাউদ্দিনের বসতঘরের নিচতলায় কসমেটিকের দোকানে কাজল কিনতে যায় ওই কিশোরী ও তার ছোট বোন। পরে আলাউদ্দিন কিশোরীর ছোট বোনকে একটি চুলের বেন্ড দিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দিয়ে দোকানের দরজা বন্ধ করে দেয়। পরে ওই কিশোরীকে একাধিকবার ন্যাক্কারজনক কাজে বাধ্য করেন। শেষে একথা কাউকে জানা/লে /তা/কে //প্রা//ণ/ নি/য়ে হবে বলে ভ///য়//ভী/তি/ও/ দেখান।
পরে ওই কিশোরীর শরীরের গঠন পরিবর্তন হতে দেখে পেটে /টি/উ/মা/র/ হয়ে/ছে/ ভে/বে/ পল্লী/ চি/কিৎসক চালি/য়ে আসছিল কিশো/রীর পরিবার।
অবস্থার পরিবর্তন না দেখে গেলো ১১ জানুয়ারি চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে এলে চিকিৎসক জানান, ওই কিশোরী ২৪ সপ্তাহ আগে গ//র্ভ/ব//তী/ হয়েছে। এরপর ওই /কিশো/রী ঘটনা খুলে বললে কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে গতকাল মঙ্গলবার /রা///তে/ থানায় মামলা দায়ের করেন।


এদিকে এ ব্যাপারে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শুভরঞ্জন চাকমা সংবাদ মাধ্যমকে জানান, থানায় মামলার আলোকে ইতিমধ্যে অভিযুক্ত আলাউদ্দিনকে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে তদন্তের শুরু হয়েছে খুব শীঘ্রই তাকে আইনের কাঠগড়ায় দাড় করানো হবে।