গত মার্চ মাস থেকে দেশে মহামারী কোভিড-১৯ হানা দেওয়ায় দ্রুত এ ভাইরাস প্রতিরোধে অনির্দিষ্টকালের জন্য দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের নির্দেশ দেন প্রশাসন। তবে বন্ধের কয়েক দফায় শর্তসাপেক্ষে ফের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সকল কার্যক্রম শুরু করার আদেশ দিয়েছেন প্রশাসন। তবে এর পরও যদি এ ভাইরাসের ব্যাপক অবনতি ঘটে তাহলে সরকার এবার কঠিন সিদ্ধান্ত নেবেন বলে জানানো হয়েছে।
তবে এবার শর্তসাপেক্ষে শিক্ষার্থী ভর্তি, বিজ্ঞানাগার, পাঠাগার ও যন্ত্রপাতি রক্ষণাবেক্ষণ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ইত্যাদি প্রশাসনিক ও রক্ষণাবেক্ষণের প্রয়োজনে সীমিত আকারে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কার্যালয় খোলা রাখা যাবে।

তবে অসুস্থ শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী, সন্তানসম্ভবা নারী এবং ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তিরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উপস্থিত হওয়া থেকে বিরত থাকবেন।

আর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সব সময় মাস্ক পরাসহ স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জারি করা সব স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে।

সোমবার (১ জুন) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল খায়েরের পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নতুন করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে এবং পরিস্থিতি উন্নয়নের লক্ষ্যে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। তবে সীমিত আকারে সরকারি দপ্তরগুলো খোলা রয়েছে। এমন প্রেক্ষাপটে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অফিস শুধু প্রশাসনিক রক্ষণাবেক্ষণের প্রয়োজনে সীমিত আকারে খোলা রাখা যাবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে বলেন, মঙ্গলবার থেকেই এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হবে। তবে এটি সবার জন্য বাধ্যতামূলক নয়। কেবল যাদের ওই ধরনের প্রয়োজন হবে, কেবল সেসব প্রতিষ্ঠানের কার্যালয় সীমিত আকারে খোলা যাবে।


তবে এদিকে সারাদেশে বিস্তার করা মহামারী এই কোভিড-১৯ প্রতিরোধে দেশের সকল শিক্ষার্থীদের এর কবল থেকে নিরাপদে রাখার লক্ষে গত ১৭ মার্চ থেকে আগামী ১৫ জুন পর্যন্ত ছুটি চলছে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে। আর সময়ে শিক্ষার্থী সকল স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন প্রশাসন। আগামী ১৫ জুন পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের ঘরে বসেই যাতে শিক্ষা নিতে পারে সেজন্য শিক্ষার্থীদের অনলাইনে পাঠদানের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।