বাংলা সিনেমা জগতের অন্যতম সেরা জুটি শাকিব খান-অপু বিশ্বাস।তাদের অভিনীত প্রতিটা সিনেমা দর্শকদের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলে দিয়েছিল। এছাড়া বাংলার এই সেরা জনপ্রিয় জুটির অভিনীত সিনেমা দেখার জন্য দর্শক লাইনের পর লাইন দারিয়ে থেকে টিকিট সংগ্রহ করতো, আবার অনেকেই টিকিট না পেয়ে বাড়ি ফিরে যেতেন। তবে এক সময়ে জানা যায়, কাউকে কিছু না জানিয়ে তারা দুজনেই বিয়ে করেছিলেন। আবার সেই সম্পর্ক ভেঙ্গেও যায়।

তবে এদিকে সম্প্রতি একটি ফেসবুক লাইভ অনুষ্ঠানে এসে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খান বলেছিলেন,’অপু বিশ্বাসের ঘর ভেঙেছে আমার কারণে, এরকম অনেক ব্লেইম দেওয়া হয় আমাকে। আসলে এরকম কিছুই ছিলো না। শাকিব ভাই বিভিন্ন টেলিভিশনসহ অনেক জায়গায় বলেছে যে, অপু বিশ্বাসকে আমি জায়েদের সঙ্গে হাতেনাতে ধরেছি! আমি খুবই লজ্জিত হয়েছি যে অপু বিশ্বাস তার স্ত্রী; এটা কিভাবে বলতে পারে শাকিব ভাই, আমি বুঝি না। এটা খুবই বাজে একটা কথা।’



সেখানে তিনি আরো বলেন, আমি গুলশানে অপু বিশ্বাসের বাসার নিচে তার বোনসহ কথা বলতেছিলাম। আমি তখন একটা সিনেমার বিষয়ে কথা বলতেছিলাম। একটা হিরো একটা স্টার নায়িকার সাথে কাজ করতে চাইতেই পারে। আর তখন আমরা জানতামও না যে সে (শাকিব খান) তার স্ত্রী ছিলো। কারণ বিষয়টা তখনও গোপন ছিলো। আমরা তখন কথা বলতেছিলাম এরমধ্যেই শাকিব ভাই এসে দেখি অপু বিশ্বাসকে মারতে শুরু করেছে। আমার সামনে অপুকে লাথি মারলো। তখন আমি শাকিব ভাইকে বললাম ভাই, এটা কী করলেন?

’বাসার দারোয়ানরা দেখছিলো এসব। তখন আমি ভাইকে সাইডে নিয়ে গিয়ে বললাম ভাই, আপনি একজন স্টার মানুষ; আপনি এসব করলে, এখানে দারোয়ান আছে, মানুষজন দেখলে কী বলবে? তখন শাকিব ভাই বলল, না না আমি আর ওর সাথে নাই।’

’এরপর এগুলো নিয়ে তিনি বিভিন্ন জায়গায় বলেছেন, আমি অপুকে জায়েদের সঙ্গে হাতেনাতে ধরেছি! এই কথাগুলো আমার খুব খারাপ লেগেছে। তিনি একজন সিনিয়র শিল্পী; তিনি কিভাবে এটা বলতে পারলেন?’



তবে এদিকে জায়েদ খানের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ দায়ের করে চলচ্চিত্রের ১৮ সংগঠন থেকে তাকে বয়কট করার ঘোষণা দেওয়া হয়। এছাড়া আরও কয়েকজন জনপ্রিয় তারকাদের প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধনও করেন শিল্পীরা। বর্তমানে শিল্পীদের মধ্যে অনেকটা বিরোধের ছাপ দেখা গেছে।