সম্প্রতি করোনা পরীক্ষার নামে জালিয়াতিতে আলোচিত সেই সাবরিনার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল বুধবার (২২ জুলাই) অতিরিক্ত মহাপরিচালক নাসিমা সুলতানা জিজ্ঞাসাবাদ করে দুদক। এরপর নাসিমা সুলতানা তাদের কাছে কি তথ্য দিয়েছেন তা গনমাধ্যমকে জানিয়েছেন ডিবির যুগ্ম কমিশনার মো. মাহবুব আলম। তিনি বলেন, নাসিমা সুলতানা বলেছেন, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) কিছু নেতাকে নিয়ে জেকেজির সাবরিনা ও তাঁর স্বামী আরিফুল হক এসে করোনার পরীক্ষার জন্য তাঁদের চাপ দেন। সেই চাপের মুখে জেকেজিকে করোনার নমুনা পরীক্ষার অনুমোদন দিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি অনুমতিপত্র সংবলিত ফাইল ডিবিকে দেখাতে পারেননি।
ডিবির ওই কর্মকর্তা বলেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে গিয়ে পদত্যাগী মহাপরিচালক অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদকে পাওয়া যায়নি। তাঁকে পরে মিন্টো রোডে ডেকে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।

এদিকে, স্বাস্থ্যখাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এরই মধ্যে মন্ত্রণালয়ের সচিব, অতিরিক্ত সচিবসহ কয়েকজনকে বদলি করা হয়েছে। পদত্যাগ করেছেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক (ডিজি) অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ। পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহ) ডা. আমিনুল হাসানকে সরিয়ে দেয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

এ বিষয়ে বুধবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, ’ডিজি (আবুল কালাম আজাদ) পদত্যাগ করেছেন। নিয়ম অনুযায়ী এটা জনপ্রশাসনে গেছে। জনপ্রশাসন সিদ্ধান্ত নেবে পরবর্তী পদক্ষেপ তারা কী নেবে।’



প্রসঙ্গত, মহামারী করোনা ভাইরাসের তাণ্ডবের মধ্যে দিয়েও করোনা পরীক্ষার নামে সাধারন মানুষকে ভুয়া রিপোর্ট দিয়ে তাদের কাছ থেকে কাড়ি কাড়ি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে সম্প্রতি আটক করা হয় জেকেজি হাসপাতাল ও রিজেন্ট হাসপাতাল প্রতিষ্ঠানেরর শীর্ষ ব্যক্তিদের। বর্তমানে তারা কারাগারে আছেন।