কোনো অপরাধা না করা সত্ত্বেও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চোখ ফাকি দিয়ে দিনের পর দিন নৌকার বিভিন্ন নেতাকর্মীদের অন্যায় ভাবে গ্রেপ্তার এবং তাদের অমানবিক নির্যাতব করায় সেই ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) অতুল সরকারকে কঠোর হুশিয়ারি দিয়েছেন স্বতন্ত্র সাংসদ মুজিবর রহমান চৌধুরী ওরফে নিক্সন।
তবে এদিকে জানা যায়, চরভদ্রাসনের ইউএনওর ফোনে ফোন করে গা/লি/গা/লা/জ করেছেন ভাঙা উপজেলার এসিল্যান্ডকে। চরভদ্রাসন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে গত শনিবার এই দুটি ঘটনা ঘটে।

এই দুটি ঘটনার ভিডিও এবং অডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও ছড়িয়ে পড়েছে। এই ঘটনায় বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের ফরিদপুর জেলা শাখা গতকাল রোববার সভা করে এই ঘটনার প্রতিকার চেয়েছে। জেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভায় এই ঘটনায় নিন্দা প্রস্তাব আনা হয় এবং এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।


নির্বাচনের আ/চর/ণ/বিধি ল/ঙ্ঘ/নের অভিযোগে এক ব্যক্তিকে আটক করার জের ধরে সাংসদ এসিল্যান্ডকে গা/লি/গা/লাজ করেন বলে অভিযোগ। তবে এ বিষয়ে সাংসদ মুজিবর রহমান চৌধুরী বলেন ভাঙার এসিল্যান্ড তাঁর সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন। এতে তিনি খুব ক্ষুব্ধ হন। বিষয়টি ইউএনও কে জানান এবং ইউএনও ফোন করে জানান এসিল্যান্ড ফোন ধরছেন না। তখন এসিল্যান্ড সম্পর্কে ’বকাবাজি’ করেন।


চেয়ারম্যান পদের ওই উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী কাওসার হোসেন (নৌকা) নির্বাচিত হন। তাঁকে সমর্থন দেন সাংসদ মজিবুর রহমান চৌধুরী।

সাংসদের বক্তব্যের বিষয়ে জেলা প্রশাসক অতুল সরকার বলেন, বিষয়টি শিষ্টাচারবহির্ভূত। একজন সাংসদের কাছ থেকে এ জাতীয় বক্তব্য প্রত্যাশিত নয়।


তবে এ সময়ে ডিসি সম্পর্কে এভাবে কথা বলার বিষয়ে এমপি নিক্সন চৌধুরী সংবাদ মাধ্যমকে জানান, প্রায় ১০ জন নেতাকর্মীকে আটক এবং একই সাথে তাদের কাছ জরিমানা আদায় করায় জনগনের মাঝে মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করায় তিনি তার (ডিসি) সাথে এমন আচারন করেছেন।