অন্যান্য বিষয় বস্তুর পাশাপাশি সম্প্রতি বাংলাদেশের চিকিৎসা ব্যস্থারও বেহাল দশা লক্ষ্য করা যায়। যেখানে প্রায় প্রতিনিয়ত ভুল চিকিৎসায় কোনো না কোনো রোগীকে অকালেই হারাতে হচ্ছে প্রাণ। আবার এমনটাও ঘটে চলেছে যে, জীবিত রোগীকে মৃ/ত বলে ঘোষণা দেওয়া হচ্ছে। আর এ অবস্থায় দিন দিন চিকিৎসা ব্যবস্থা থেকে আস্থা হারিয়ে ফেলছে মানুষ। জানা গেছে, ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে মৃ/ত ঘোষণার পর কবরস্থানে নেয়ার পর জীবিত হয়ে উঠে। আর এ ঘটনাটি দুঃখজনক উল্লেখ করে হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, এ ঘটনাটি ’মিরাকল’। তদন্ত শেষে এ ঘটনায় কারো গাফিলতি পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
শনিবার দুপুরের দিকে ঢামেক হাসপাতালের নিজ কক্ষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা জানান।

ঢামেক পরিচালক নাসির উদ্দিন বলেন, এ ঘটনায় আমি সকালে চার সদস্যের তদন্ত কমিটির সঙ্গে বসেছিলাম। তাদের কাছেও এ বিষয়ে জানার চেষ্টা করেছি। কি কারণে এমনটি হয়েছে।

তবে নবজাতকের জন্মের পর সে কোনো কান্নাকাটি ও নড়চড়া করছিল না। চিকিৎসকরা তার হার্টবিটও পাচ্ছিলেন না। আমাদের চিকিৎসকরা অনেক চেষ্টা করেছিল, কিন্তু তার কোনো রেসপন্স পাচ্ছিল না।

তারপর চিকিৎসকরা অক্সিজেন দিয়ে নবজাতকে রেখে দেন। নবজাতকে মৃত ঘোষণা করে ডেথ সার্টিফিকেট দেয়ার হয়। এরপরই নবজাতকের বাবা তাকে দাফনের জন্য কবরস্থানে নিয়ে যান।

তিনি বলেন, নবজাতকে এখনও নিওনেটাল ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে (এনআইসিইউ) ভর্তি রয়েছে। সে আগের চাইতে কিছুটা ইমপ্রুভ হচ্ছে। এক কেজি ওজনের কম নবজাতকটির জন্ম হয়েছে। এজন্য তার অনেক কিছুই ডেভেলপমেন্ট হয়নি।

ঢামেক হাসপাতালের পরিচালক বলেন, ঘটনাটি দুঃখজনক। সমস্যাটা কোথায় ছিল সেটি বের করার জন্যই তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। কমিটি আজকেও আমার সঙ্গে বসেছে। কেন এমন ঘটনা হলো তা বের করা হবে।

আর এ ধরনের ঘটনা যাতে ভবিষ্যতে না ঘটে সেই অনুযায়ী ব্যবস্থাও নেওয়া হবে। ঘটনাটি মিরাকল। মেডিক্যাল সাইন্সে এমন ঘটনা হতেই পারে, অনেক জায়গায়ই হয়েছে।



এ সময়ে ঢামেক হাসপাতালের পরিচালক আরও জানান, তারা এ বিষয়টিকে খুবই গুরুত্বসহকারে দেখছেন। তিনি বলেন, এমন ঘটনা এর আগেও ঘটেছিল। যেকারনে উক্ত চিকিৎসককে তারা এখানে থেকে বদলি করে দিয়েছেন। তবে যেহেতু পূনরায় এমন ঘটনা ঘটেছে, সেহেতু বিষয়টিকে খুবই গুরুত্বসহকারে দেখছেন।