করোনার প্রথম ঢেউয়ের রেশ কাটতে না কাটতে এবার কুয়েতে হানা দিয়েছে দ্বিতীয় ঢেউ। ফলে কর্মহীন হয়ে রীতিমতো হতাশায় দিন কাটছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কর্মরত থাকা হাজার হাজার বাংলাদেশি প্রবাসীদের। এমনকি মরন এ ভাইরাসের মোকাবেলায় সামায়িক ভাবে বন্ধ রয়েছে বিমান চলাচলও। ফলে চাইলেই দেশে ফিরতে পারছেন না তারা, এবং অন্যদিকে ছুটিতে দেশে ফিরেও বিপাকে পড়তে হয়েছে অনেককে।
এদিকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে করোনার টিকা না নিলে প্রবাসীদের আকামা নবায়ন করা হবে না বলে জানানো হয়েছে।

সারা বিশ্বের মতো করেনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে বিপর্যন্ত কুয়েত। প্রতিদিনই বাড়ছে আক্রান্ত এবং মৃতের সংখ্যা। করোনার লাগাম টানতে হিমশিম খাচ্ছে দেশটির স্থানীয় প্রশাসন।

এ অবস্থায় দেশটিতে সন্ধ্যা ৭টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত রাত্রিকালীন কারফিউ বলবৎ রয়েছে। সেইসঙ্গে শপিংমলসহ রেস্টুরেন্টগুলো সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে বন্ধের বিধান রয়েছে। এতে কেনা-বেচা কমে যাওয়ায় বিপাকে ব্যবসায়ীরা। আর এর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে প্রাবাসী কর্মীদের ওপরও।

করোনা নিয়ন্ত্রণে নানা বিধি-নিষেধ আরোপের পাশাপাশি কুয়েতে ফাইজারের টিকাদান কর্মসূচি অব্যাহত রয়েছে। কুয়েত কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগামী জুন থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে টিকা না নিলে প্রবাসীদের আকামা নবায়ন করা হবে না।

দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ২ লাখ ৪৪ হাজার। অন্যদিকে করোনায় প্রাণ হারিয়েছেন ১ হাজার ৩শ’র বেশি মানুষ।


এদিকে সারাবিশ্বজুড়ে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১৩ কোটি ৬০ লাখ ৪৪ হাজার ৯৮ জন, সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ১০ কোটি ৯৩ লাখ ৯২ হাজার ১৮০ জন। এবং মোট প্রাণ হারিয়েছেন ২৯ লাখ ৩৯ হাজার ৭৯৩ জন। বর্তমানে করোনায় সংক্রমিত হয়ে চিকিৎধীন রয়েছেন ২ কোটি ৩৭ লাখ ১২ হাজার ১২৫ জন।