কখনো নিজেকে ডিআইজির, আবার কখনো এসপির বন্ধু পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে জিহাদ আহমেদ নামে এই যুবকের বিরুদ্ধে। এমনকি তার সঙ্গে কেউ কথা বলতে চাইলে অবশ্যই তাকে এসপি-ওসি হতে হবে, কেননা সাধারন কোনো মানুষের সাথে তিনি বলতে রাজি নন। জানা গেছে, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার মিশু মিয়ার ছেলে তিনি।
বুধবার (১২ মে) বিকেলে জিহাদকে আদালতে প্রেরণ করে পুলিশ। এর আগে স্থানীয় কয়েকজনের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে মঙ্গলবার (১১ মে) রাতে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এরপর তার নামে চাঁদাবাজির মামলা করেন এক ব্যক্তি।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জিহাদ স্থানীয় বিভিন্ন ডোবা-নালা থেকে মাছ ধরে বাজারে বিক্রয় করতেন। তার বাবা ছিলেন একজন রিকশাচালক। নানা অভিযোগের চাপে এলাকা ছাড়া ছিলেন। মাত্র কয়েক বছরের ব্যবধানে জিহাদ এখন কোটিপতি। চড়েন নিজের কেনা এসি গাড়ি নিয়ে। চোখে পড়ার মতো কোনো ব্যবসা না থাকলেও কালিকচ্ছ বাজার এলাকায় রয়েছে তার বিশাল অফিস।

মাছের হ্যাচারির পাশাপাশি কিছু লোকের নাম ব্যবহার করে একটি সমবায় সমিতির অন্তরালে জিহাদ চালিয়ে যাচ্ছেন চড়া সুদের ব্যবসা। এছাড়া তার বিরুদ্ধে বায়োফ্লক মাছ চাষিদের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে।


এদিকে গণমাধ্যমকে এতথ্য নিশ্চিত করে সরাইল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) কবির হোসেন জানান, স্থানীয়দের অভিযোগের আলোকে ইতিমধ্যে জিহাদকে আটক করে থানায় নেয়া হয়েছে। এবং পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধে তদন্ত চালাতেই উঠে আসে বেশ চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা যায়, তার বিরুদ্ধে আগে একটি মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা ছিল। এরমধ্যে একটি চাঁদাবাজি মামলা দায়ের করা হয়।