সাধারণত বোনের বিয়েতে বিশেষ কিছু দায়িত্ব থাকে ভাইদের ওপর। বিয়ের প্যান্ডেল সাজানো থেকে শুরু করে রান্না-বান্নার সব দায়িত্ব নিতে হয় তাকে। আর ঠিক এ ঘটনার ব্যতিক্রম ঘটেনি জহিরুল ইসলাম সোহাগের বেলায়ও। বড় বোনের বিয়ের প্রায় সকল দায়িত্ব নিজের কাধে নিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু দিন শেষে বিয়ে দেখে যাওয়ার ভাগ্য হলো তার। জানা যায়, বিয়ের বাজার করতে গিয়ে পিকআপের /ধা/ক্কা/য় প্রাণ হারান তিনি।
সোমবার (৩০ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার ধানসিঁড়ি ইউনিয়নের লেঙ্গার দোকান সংলগ্ন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। জহিরুল ইসলাম সোহাগ উপজেলার ধানসিঁড়ি ইউনিয়নের নবগ্রামের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ফখরুল ইসলামের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার (৩০ আগস্ট) রাতে সোহাগের বড় বোনের গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান ছিল। মঙ্গলবার (৩১ আগস্ট) বিয়ে। সকালে বোনের বিয়ের বাজার করার জন্য মোটরসাইকেলযোগে জেলা শহর মাইজদীতে যাচ্ছিলেন সোহাগ। পথে একটি বেপরোয়া গতির ট্রাককে ওভারটেক করতে গিয়ে বিপরীত দিক থেকে আসা পিকআপের সঙ্গে ধাক্কা লাগে মোটরসাইকেলটির। এতে সোহাগ ঘ/ট/না/স্থ/লে/ই /মা/রা/ যান।


এদিকে এ ব্যাপারে কবিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) টমাস বড়ুয়ার কাছে জানতে চাইলে তিনি সংবাদ মাধ্যমকে জানান, খবর পাওয়া মাত্রই ঘটনাস্থলে গিয়ে সোহাগের /মৃ/ত/দে/হ উদ্ধার করে পুলিশ। এবং পরবর্তীতে সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত শেষে তাকে পরিবারের কাছে পাঠানো হয়। তবে এ ব্যাপারে পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি।