মহামারী করোনাভাইরাসের সংক্রমনের ফলে এ বছর সরাসরি উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) বা সমমান পরীক্ষা হবে না বলে ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। আজ বুধবার শিক্ষা মন্ত্রণালয় আয়োজিত ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ ঘোষণা দেন। সুতরাং জেএসসি ও এসএসসির ফলাফলের উপর মূল্যায়ন করা উচ্চ মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীদের। এছাড়া এইচএসসি ও সমামানের পরীক্ষায় একবার ফেল করে যারা এবার পরীক্ষায় বসায় প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, উচ্চ মাধ্যমিকের পরীক্ষা না নেওয়ার সিদ্ধান্তে তাদের কপাল খুলে গেছে।
গতবার এই পরীক্ষায় যারা ফেল করেছেন তাদেরও জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা হবে বলে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি জানিয়েছেন।

করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যে এবার উচ্চ মাধ্যমিকের পরীক্ষা না নিয়ে জেএসসি ও এসএসসির ফলের গড় করে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করা হবে বলে বুধবার এক ভার্চুয়াল সংবাদ জানান শিক্ষামন্ত্রী।

এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, "গতবার যারা ফেল করেছে, তাদেরও জেএসসি ও এসএসসির ফলের ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা হবে।"

গতবার এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ১৩ লাখ ৩৬ হাজার ৬২৯ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। তাদের মধ্যে পাস করে নয় লাখ ৮৮ হাজার ১৭২ জন।

সেই হিসেবে গত বছর উচ্চ মাধ্যমিকে ফেল করেছিলেন তিন লাখ ৪৮ হাজার ৪৫৭ জন শিক্ষার্থী, যারা এবার আর কোনো পরীক্ষায় অংশ না দিলেও উচ্চ মাধ্যমিকের সনদ পাবেন।

এইচএসসিতে দুই বিষয়ে (সর্বোচ্চ চার পত্র) ফেল করলে পরের বছর শুধু ওইসব বিষয়ে পরীক্ষা দেওয়া যায়। উচ্চ মাধ্যমিকে একজন শিক্ষার্থীকে সাতটি বিষয়ে ১৩টি পত্রে পরীক্ষায় বসতে হয়।


এদিকে এর আগে বলা হয়েছিল, গত ১ এপ্রিল থেকে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে, কিন্তু মরনঘাতী করোনা ভাইরাস দিন দিন আরও ভয়াবহতার রুপ নেওয়ার ফলে তা স্থগিত হয়ে যায়। যেকারনে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়েছে।