দেশের এ ভায়াবহ পরিস্থির মধ্যদিয়ে পুনরায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া অনেকটা ঝুকিপূর্ন হবে বলে মনে করছে প্রশাসন। এছাড়া যেহেতু আসছে শীতে করোনার প্রকোপ অনেকাংশে বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, সেহেতু এখনই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া সম্ভব নয় বলেও জানানো হয়েছে। তবে পরীক্ষার দিকটি বিবেচনা করে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ৭ শর্তে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স-মাস্টার্সের চূড়ান্ত পরীক্ষা নেওয়ার অনুমতি দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন।
ইউজিসি’র বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বিভাগের পরিচালক ড. মো. ফখরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত নির্দেশনাসমূহ সব বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও রেজিস্ট্রারকে সোমবার (২ নেভেম্বর) পাঠানোহয়েছে।

নির্দেশনা সমূহে রয়েছে- এক দিনে ১টি প্রোগ্রামের ১টির বেশী ব্যবহারিক ক্লাস ও পরীক্ষা গ্রহণ করা যাবে না; স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের স্বাস্থ্যবিধি ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা (যেমন: বাধ্যতামূলক ফেস মাস্ক পরিধান, শারীরিক দূরত্ব, ক্যাম্পাস ও ক্লাসে স্যানিটাইজার সরবরাহ নিশ্চিতকরণ ইত্যাদি) কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে; প্রতি ক্লাসে একসাথে অনধিক ১০ জন শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে ব্যবহারিক ক্লাস ও পরীক্ষা সম্পন্ন করতে হবে; শিক্ষার্থীদের ব্যবহারিক ক্লাস ও পরীক্ষা শুরুর কেবলমাত্র ১০ মিনিট আগে ক্যাম্পাসে আগমন এবং তা শেষ হওয়ার আধা ঘণ্টার মধ্যে ক্যাম্পাস হতে প্রস্থান নিশ্চিত করতে হবে; ব্যবহারিক ক্লাস ও পরীক্ষার হলে প্রতিজন শিক্ষার্থীর মাঝে দূরত্ব থাকতে হবে ন্যূনতম ৬ ফুট। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসেও উক্ত দূরত্ব বজায় রাখার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে; এবং ব্যবহারিক ক্লাস ও পরীক্ষার কারণে কোনো শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং কর্মকর্তা-কর্মচারী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলে তার চিকিৎসার ব্যবস্থা করা স্ব স্ব বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্ব। এ ব্যাপারে কমিশন কোন দায়ভার গ্রহণ করবে না।



চিঠিতে উল্লেখ করা এই নির্দেশনা শুধু অনার্স ও মাস্টার্স পর্যায়ের সবশেষ সেমিস্টারের ব্যবহারিক ক্লাস ও পরীক্ষা নেওয়ার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। যেহেতু দেশে করোনা সংক্রমনের ফলে বিপর্যয় দেখা দিয়েছে, সেহেতু এ সকল নির্দেশনা মেনে তাদেরকে পরীক্ষা এবং ক্লাসে উপস্থিত হতে হবে।