সম্প্রতি এক শোকে বিশেষ অতিথি হয়ে এসেছিলেন বলিউডের অন্যতম সুপার স্টার অভিনেতা অর্জুন কাপুর। তবে এ সময়ে নিজের খাদ্যাভ‍্যাসের কথা বলতে গিয়ে বাবা মায়ের বিচ্ছেদের কথা টেনে আনেন তিনি। দাম্পত্য জীবনে কলাহের জের ধরে ১৯৯৬ সালে বনি ও মোনার বিচ্ছেদ ঘরে। তবে পরবর্তীতে শ্রীদেবীকে বিয়ে করেন বনি। সেই সময় শ্রীদেবীর গর্ভে ছিলেন জাহ্নবী কাপুর। স্বামীর এতো বড় বিশ্বাসঘাতকতা মেনে নিতে পারেননি মোনা। এমনকি বনি ও শ্রীদেবীর বিয়ে মানতে পারেননি বনির মা-বাবাও। বনি ও মোনার বিবাহ বিচ্ছেদের পর তারা মোনার কাছেই থাকতে শুরু করেন।


জীবনের এ টালমাটাল সময়ে অর্জুন ভেঙে পড়েছিলেন। তিনি ডিপ্রেশনের শিকার হয়ে খাবারের প্রতি অত্যধিক আসক্ত হয়ে পড়েছিলেন। বয়সের তুলনায় অনেক বেশি খাবার খাওয়ার কারণে মাত্র ষোলো বছর বয়সে তার ওজন বেড়ে দাঁড়িয়েছিলো দেড়শো কেজি।

অর্জুন জানান, সেই সময় খাবারের মধ্যেই তিনি সুখ খুঁজে নিতেন। নাইন্টিজ কিডসরা জানেন, ওই সময় ভারতের বাজারে ঢুকতে শুরু করেছে পিজ্জা, বার্গারের মতো ফাস্ট ফুড। এই ধরনের ফাস্ট ফুডের প্রতি অর্জুনের আসক্তি ক্রমশ বেড়েই চলেছিলো। তাকে আটকানোর মতো কেউ ছিলেন না। মোনাও ছেলেকে প্রচণ্ড ভালোবাসতেন। ফলে মোনা কোনোদিন ছেলেকে এইসব খাবার খেতে বারণ করেননি। একসময় অত্যধিক ওজনের কারণে অর্জুনের শ্বাসকষ্ট হতে শুরু করে। একসময় দিওয়ালিতে বিরিয়ানি ও আইসক্রিম খাওয়া অর্জুন ভাত ও মিষ্টি দুটোই ছেড়ে দিয়েছেন।

২০১২ সালে ’ঈশকজাদে’ ফিল্মে ডেবিউ করার আগে ৫০ কেজি ওজন ঝুলিয়ে অর্জুন একজন হ্যান্ডসাম ম্যানে পরিণত হয়েছিলেন। খুব শিগগিরই ’সর্দার অ্যান্ড গ্র‍্যান্ডসন’ ফিল্মে দেখা যাবে অর্জুনকে।

অর্জুন ছাড়াও এ ফিল্মে অভিনয় করছেন নীনা গুপ্তা ও রকুলপ্রীত সিং। ’সর্দার অ্যান্ড গ্র‍্যান্ডসন’ মুক্তি পাবে ওটিটি প্ল‍্যাটফর্ম নেটফ্লিক্সে।

প্রসঙ্গত, ২০১২ সালে ’ইশকজাদে’ সিনেমায় অভিনয়ের মধ্যদিয়ে বলিউডে আত্মপ্রকাশ করেন অর্জুন কাপুর। তবে ২০১৪ সালে ’গুন্ডে’ সিনেমায় অভিনয়ের মাধ্যমে সবার নজরে আসেন তিনি। তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য সিনেমার মধ্যে রয়েছে হাফ ’গার্লফ্রেন্ড’, ’টু স্টেটস’ ইত্যাদি।