সারা-দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়া মহামারী করোনাভাইরাসের সংক্রমন নিয়ন্ত্রনে নানা পদক্ষেপের পর আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে বিবেচনায় রেখে কঠোর বিধিনিষেধকে আট দিনের জন্য শিথিল করেছে প্রশাসন। একই সাথে দেশের মানুষের কথাও চিন্তা করে এই সময়ে গণপরিবহন চলাচলেও সাড়া দিয়েছে প্রশাসন। সেই সাথে শপিংমল ও দোকানপাটও খোলা থাকছে। তবে পবিত্র ঈদুল আজহার দিন সব যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকবে। শনিবার (১৭ জুলাই) বাংলাদেশ রেলের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, আগামী ২০ জুলাই একতা, নীলসাগর, রংপুর এক্সপ্রেস ট্রেনসমূহ চলাচল বন্ধ থাকবে। ২১ জুলাই সব যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকবে। ২২ জুলাই একতা, সুন্দরবন, নীলসাগর, রংপুর এক্সপ্রেস ট্রেনসমূহ চলাচল বন্ধ থাকবে।
ঈদের পর আগামী ২৩ জুলাই থেকে আরও কঠোরভাবে লকডাউনের ঘোষণা দিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী। আগামী ২৩ জুলাই সকাল ছয়টা থেকে আগামী ৫ আগস্ট পর্যন্ত কঠোর লকডাউনে গার্মেন্টসসহ সব ধরনের শিল্প-কারখানা বন্ধ থাকবে বলে জানান তিনি। গেল লকডাউনে গার্মেন্ট ও শিল্পকারখানা খোলা রাখার সিন্ধান্ত নেয়া হলেও ২৩ জুলাইয়ের পর গার্মেন্ট ও শিল্পকারখানা বন্ধ থাকবে বলে মন্ত্রীপরিষদ বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে।


একই সাথে দেশে করোনা কালীন এ সময়ের কথা মাথায় রেখে সবাইকে সতর্কতামূলক নির্দেশা মেনে চলার আহ্বান জানিয়ে প্রশাসন। যেহেতু এখন পর্যন্ত বিশ্বের কোনো দেশই এ ভাইরাসের উল্লেখযোগ্য কোনো প্রতিষেধক আবিষ্কার করতে পারেনি, সেহেতু এই মুহুর্তে মাস্ক ব্যবহারের কোনো বিকল্প নেই বলেও সতর্ক করেছে প্রশাসন।