দীর্ঘ ১ বছরেরও অধিক সময় পর অবশেষে চলতি মাসের আগামী ১২ সেপ্টেম্বর প্রথামিক, মাধ্যমিক-উচ্চ মাধ্যমিক থেকে শুরু করে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন। তবে এ সিদ্ধান্ত নেয়ার পরও দেশের বন্যাকবলিত প্রায় ১০ জেলায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বাধ্যবাধকতা নেই। ফলে অন্যান্য জেলায় শিক্ষাপ্রতিষ্টান খুলে দেয়া হলেও বন্যাকবলিত এলাকায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকছে। সংবাদ মাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর।
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক বলেন, বন্যাকবলিত এলাকায় বিদ্যালয় খুলে দিয়ে শ্রেণি পাঠদানের প্রয়োজন নেই। তবে অনলাইনে ক্লাস পরিচালনা করতে হবে। তারা পরে শ্রেণি পাঠদান শুরু করবে।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর জানায়, দেশের প্রায় ১০টি জেলা প্লাবিত হয়েছে। বন্যার পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র থেকে জানানো হয়, দেশের বিভিন্ন পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। শিগগিরই বন্যাকবলিত এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করার জন্য নির্দেশনা দেয়া হবে। এছাড়া বন্যায় অনেক বিদ্যালয়ে পানি জমে যায়, সেসব বিদ্যালয়ে ক্লাস হবে না। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার ক্ষেত্রে সেসব প্রতিষ্ঠানের কোনও বাধ্যবাধকতা নেই।

উল্লেখ, বিশ্বের অন্যান্য দেশের পাশাপাশি বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো কোভিড সংক্রমন ছড়িয়ে পড়ে গত বছরের ৮ মার্চ। এরপর থেকেই এ ভাইরাসে সংক্রমনের সংখ্যা দিন দিন বাড়তে থাকায় ঐ বছরের ১৭ মার্চ থেকে দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার ঘোষণা দেয় প্রশাসন।