জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় দীর্ঘ ২ বছরেরও অধিক সময় কারাভোগের পর শর্ত সাপেক্ষে গত বছরের ২৫ মার্চ থেকে জামিনে মুক্ত রয়েছেন তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। তবে তার স্থায়ী জামনের জন্য বরাবরই সরকারের নিকট আবেদন করছেন বিএনপি নেতাকর্মীরা। আর এরই আজ বুধবার (০৮ সেপ্টেম্বর) হাইকোর্টে দুদকের আইনজীবী খুরশিদ আলম জানিয়েছেন, মামলা বিচারাধীন থাকায় সরকারের বিএনপি চেয়ারপারসনকে স্থায়ী মুক্তি দেওয়ার সুযোগ নেই।

তিনি আরো জানিয়েছেন, খালেদা জিয়ার স্থায়ী মুক্তির জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে আবেদন করা ছাড়া কোনো বিকল্প পথ নেই।

এদিকে বিএনপি চেয়ারপারসনের আইনজীবী মাহবুব উদ্দিন খোকন বলছেন, সরকার চাইলেই খালেদা জিয়াকে স্থায়ী জামিন দিতে পারে। এ ক্ষেত্রে কোনো আইনি জটিলতা নেই।

কয়েক দিন আগে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শর্তহীন মুক্তি চেয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেন তার ছোট ভাই শামীম এস্কান্দর।

কেননা আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিতের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। এর মধ্যে আবেদনের মতামত দিয়েছে আইন মন্ত্রণালয়। সেই পরিপ্রেক্ষিতেই দুদক ও খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা বক্তব্য দেন।


উল্লেখ্য, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় দোষী সাব্যস্ত করে গত ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়াকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয় আদালত। এরপর গত বছর ২৫ মার্চ দেশে করোনা সংক্রমনের মধ্যেই খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার কথা চিন্তা করে শর্ত সাপেক্ষে তাকে ৬ জামিন দেয়া হয়।