বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের অন্যতম সাবেক সফল অধিনায়ক হিসেবে ক্রিকের প্রেমি ভক্তদের মাঝে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেছেন মাশরাফি বিন মুর্তজা। এমনকি ক্রিকেটের পাশাপাশি তার আচরণে মুগ্ধ হয়ে প্রশংসায় পঞ্চমুখ কোটি কোটি ভক্ত ও শুভাকাঙ্খিরা। আর এরই জের ধরে সাবেক এই অধিনায়কের এক বক্তব্যে যেন ফের মন কেড়ে নিয়েছে সবার।

তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি কখনও অন্যায়ের সঙ্গে আপস করেননি, ভবিষ্যতেও আপস করার পক্ষে নন।

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) কর্তাব্যক্তিদের কর্মকাণ্ডে সাকিব আল হাসানের মতোই ক্ষুব্ধ জাতীয় দলের সাবেক সফল অধিনায়ক মাশরাফি।

নড়াইল এক্সপ্রেস খ্যাত এই তারকা পেসার বলেছেন, আমার সঙ্গে যোগাযোগ করা বিসিবির এখন জরুরি না। কারণ আমি ক্রিকেট বোর্ডের বেতনভুক্ত ক্রিকেটার নই, আবার ক্রিকেট বোর্ডের কোনো কর্মকর্তাও নই। আমি /মা///রা/ও যেতে পারতাম। সে/ক্ষে/ত্রে দৃশ্য/পট অন্য/রকম হতে পারত।

ক্রিকেট থেকে অবসরের আগেই জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিয়ে নড়াইল-২ আসন থেকে সংসদ সদস্য হওয়া মাশরাফি আরও বলেছেন, আমার সঙ্গে যোগাযোগ করলেই যে আমি চুপ হয়ে যাব বিষয়টি তেমনও নয়। আবার আমার সঙ্গে যোগাযোগ করলেই যে তারা ঠিক হয়ে যাবে ব্যাপারটা তেমন না। আপনার আউটকাম নির্ভর করছে সামনে কীভাবে চলবে।

বেসরকারি একটি টিভি চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মাশরাফি আরও বলেছেন, ক্রিকেট থেকে বিদায়ের সময় আমাকে যে অসম্মান করা হয়েছে সেটা তো আর ফিরে পাব না; কিন্তু আশা করি সামনে সাকিব, তামিম, মুশফিক, মাহমুদউল্লাহদের মতো সামনে যারাই ক্রিকেট থেকে বিদায় নেবে তাদের বিদায়টা যেন অন্তত আনন্দঘন পরিবেশে হয় এবং এই পরিবেশটা যেন আমাদের ক্রিকেটে তৈরি হয়।

চলতি বছরের শুরুর দিকে কোনো আলোচনা ছাড়াই জাতীয় দল থেকে বাদ দেয়া হয় দেশের সফল অধিনায়ক মাশরাফিকে। তাকে বাদ দেওয়া প্রসঙ্গে প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন নান্নু বলেছেন,আগামী বিশ্বকাপের কথা মাথায় রেখেই এমন সিদ্ধান্ত।

বিশ্বকাপে উঠতি ক্রিকেটারদের সুযোগ করে দিতে মাশরাফির মতো একজন অভিজ্ঞ ক্রিকেটারকে বাদ দেওয়ার আগে তাকে বিদায়ী ম্যাচ খেলার সুযোগ করে দেয়া উচিত ছিল। বিশেষ করে, বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের ইতিহাসে মাশরাফি বিন মুর্তজার নেতৃত্বে রেকর্ড ৬০টি আন্তর্জাতিক ম্যাচে জয় লাভ করেছে। আর এমন একজন গুণী তারকাকে এভাবে দল থেকে বের করে দেয়া নিতান্তই দুঃখজনক বলে দাবি করেছেন অংসখ্য ক্রিকেট প্রেমি ভক্ত ও শুভাকাঙ্খিরা।